Sunday, December 2, 2012

মাউজকে উপযোগী করে নিন বাঁ হাতের জন্য

সাধারণত আমরা ডান হাত দিয়েই মাউজ ব্যবহার করি। কিন্তু কোন কারণে, যেমন ডান হাত ভেঙ্গে বা কেটে গেলে, আমাদেরকে বাম হাত দিয়েও মাউজ ব্যবহার করতে হতে পারে। বাম হাতে মাউজ ঘুরানো খুব একটা কঠিন না হলেও সমস্যা দেখা দেয় বাটনদুটো ক্লিক করার ক্ষেত্রে। আমরা সাধারণত তর্জনী দিয়ে লেফট ক্লিক এবং মধ্যমা দিয়ে রাইট ক্লিক করতেই অভ্যস্ত। বাম হাত দিয়ে মাউজ চালাতে গেলেও আমাদের সে অভ্যাসটাই রয়ে যায়। কিন্তু আমরা যখন বাম হাত দিয়ে মাউজ ধরি, তখন আমাদের তর্জনী থাকে রাইট বাটনের উপর এবং মধ্যমা থাকে লেফট বাটনের উপর। কাজেই পূর্বের অভ্যাস মতো ক্লিক করতে গেলেই বিপত্তির সৃষ্টি হয়।
এখন আমরা যদি কোনভাবে মাউজটাকে খুলে এর অভ্যন্তরের সার্কিটগুলোকে এমন ভাবে পরিবর্তন করে দেই, যেন এর লেফট বাটনটা রাইট এবং রাইট বাটনটা লেফট হিসেবে কাজ করে, তাহলেই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সৌভাগ্যের বিষয়, উইন্ডোজের কন্ট্রোল প্যানেলের মাউজ প্রপার্টিজ থেকেই মাউজকে বাম হাতের উপযোগী করে কনফিগার করে নেয়া যায়। কাজেই কষ্ট করে মাউজ খুলে এর সার্কিট পরিবর্তনের মতো ভয়াবহ জটিল কাজটা আমাদের আর করতে হচ্ছে না।
মাউজকে বাম হাতের উপযোগী করার জন্য Start > Control Panel > Printers and Other Hardware > Mouse - এ গিয়ে প্রাপ্ত Mouse Properties ডায়ালগ বক্সের Buttons ট্যাবের Button Configuration সেকশানের Switch primary and secondary buttons চেকবক্সটিতে টিকমার্ক দিয়ে ওকে বাটনে ক্লিক করে ফিরে আসতে হবে। ব্যাস - এবার থেকে মাউজের বাম পাশের বাটন ক্লিক করলে সেটা রাইট ক্লিক এবং ডান পাশের বাটনে ক্লিক করলে সেটা লেফট ক্লিক হিসেবে কাজ করবে। ফলে বাম হাত দিয়ে মাউজ চালাতে আর কোন অসুবিধাই হবে না।

টাইপ করুন কী-বোর্ড ছাড়াই

মনে করুন, হঠাত্ কোন কারণে আপনার কী-বোর্ডটা গেল নষ্ট হয়ে। আর ঠিক সেই মুহূর্তে আপনার পক্ষে নতুন একটা কী-বোর্ডের ব্যবস্থা করাও সম্ভব হচ্ছে না। তাই বলে কি আপনার লেখালেখির কাজ বন্ধ হয়ে থাকবে? মোটেই না। আপনি ইচ্ছে করলে কী-বোর্ড ছাড়াই লেখালেখির কাজ চালিয়ে যেতে পারেন।
এর জন্য আপনাকে Start > All Programs > Accessories > Accessibility > On-Screen Keyboard সিলেক্ট করতে হবে। এর ফলে আপনি স্ক্রীনে একটা কী-বোর্ড দেখতে পাবেন। এবার আপনি যেখানে টাইপ করতে চান, অর্থাত্ এম এস ওয়ার্ড বা নোটপ্যাড উইন্ডোতে, একবার মাউজ দিয়ে ক্লিক করুন। তারপর অন-স্ক্রীন কী-বোর্ডের অক্ষরগুলোর উপর মাউজ দিয়ে ক্লিক করে বিকল্প টাইপিং এর কাজ চালিয়ে যান।
শুধু টাইপিং নয়, আপনার যদি বিভিন্ন প্রোগ্রামের বিভিন্ন কমান্ডের শর্টকাট কী গুলো মুখস্ত থাকে, তাহলে অন-স্ক্রীন কী-বোর্ড ব্যবহার করে আপনি সেসব কমান্ডও প্রদান করতে পারবেন। যেমন, অন-স্ক্রীন কী-বোর্ডে আপনি যদি কন্ট্রোল+S প্রেস করেন, তবে ফাইলটি সেভ হয়ে যাবে অথবা সেভ অ্যাজ ডায়ালগ বক্স প্রদর্শিত হবে। অর্থাত্ এই কী-বোর্ডটিকে আপনি ভার্চুয়াল কী-বোর্ড হিসেবে প্রায় সব কাজেই ব্যবহার করতে পারবেন। অবশ্য টাইপিং ছাড়া অন্যান্য কাজ যেহেতু সাধারণত মাউজ দ্বরাই করতে হয়, সেক্ষেত্রে অন-স্ক্রীন কী-বোর্ড এর উপর মাউজ দিয়ে ক্লিক করার চেয়ে সরাসরি মেনুবার বা টুলবারের উপর ক্লিক করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ওয়ার্ডে গোপন ফাইল


মনে করুন, আপনি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে এমন একটি ডকুমেন্ট তৈরি করতে চান, যেটা এতই গোপনীয় যে আপনি অন্য কাউকে সেটা খুলতে দিতে চান না। অথবা খুলতে দিতে চান ঠিকই, কিন্তু কাউকে সেটা সম্পাদনা করতে দিতে চান না। অথবা সম্পাদনা করতে দিতে চাইলেও সম্পাদনার ক্ষেত্র সীমিত করে দিতে চান। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সিকিউরিটি অপশন ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই আপনার ডকুমেন্টকে উপরে উল্লেখিত যেকোন ধরনের প্রটেকশন দিতে পারেন। এর জন্য প্রথমে আপনাকে মেনুবার থেকে Tools > Options > Security ট্যবে ক্লিক করুন।
এবার আপনি যদি চান যে আপনি ছাড়া অন্য কেউ যেন ফাইলটি খুলতে না পারে, তাহলে Password to open: ডায়ালগ বক্সে আপনার ইচ্ছেমতো্ কোন পাসওয়ার্ড টাইপ করে ওকে বাটনে ক্লিক করুন অথবা এন্টার প্রেস করুন। এরফলে কনফার্ম পাসওয়ার্ড নামে আরেকটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে পাসওয়ার্ডটি পুনরায় টাইপ করে ওকে বাটনে ক্লিক করুন অথবা এন্টার প্রেস করুন। ব্যস – এরপর থেকে প্রতিবার ফাইলটা খুলতে গেলেই পাসওযার্ড চাইবে এবং এই পাসওয়ার্ড জানা ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ ফাইলটা খুলতে পারবে না।
আবার আপনি যদি চান যে ফাইলটি যেকোন কেউ খুলতে পারবে, কিন্তু কোন সম্পাদনা করতে পারবে না, তাহলে Password to modify: ডায়ালগ বক্সে আপনার ইচ্ছেমতো্ কোন পাসওয়ার্ড টাইপ করে ওকে বাটনে ক্লিক করুন অথবা এন্টার প্রেস করুন। এরফলে কনফার্ম পাসওয়ার্ড নামে আরেকটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে পাসওয়ার্ডটি পুনরায় টাইপ করে ওকে বাটনে ক্লিক করুন অথবা এন্টার প্রেস করুন। ব্যস – এরপর থেকে প্রতিবার ফাইলটা খুলতে গেলেই পাসওযার্ড চাইবে। ফাইলটা সম্পাদনা করতে চাইলে অবশ্যই এই পাসওয়ার্ড টাইপ করতে হবে। আর ফাইলটা শুধুমাত্র দেখতে চাইলে Read only বাটনে ক্লিক করতে হবে।
আপনি ইচ্ছে করলে একই ফাইল খোলার জন্য একটা এবং সম্পাদনা করার জন্য আরেকটা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। এরফলে ফাইলটা খোলার জন্য একটা পাসওয়ার্ড এবং সম্পাদনা করার জন্য আরেকটা
আবার আপনি যদি চান যে ফাইলটা সবাই খুলতে পারবে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ সম্পাদনাও করতে পারবে, কিন্তু সে সম্পাদনার ক্ষেত্র হবে সীমিত – অর্থাত্ আপনার অনুমোদিত ক্ষেত্র ছাড়া অন্য কোন ধরনের সম্পাদনা করতে পারবে না, তাহলে আপনাকে Protect Document কমান্ড বাটনে ক্লিক করতে হবে। ব্যাপারটা এরকম যে, মনে করুন আপনি কোন গল্প বা উপন্যাস বা অন্য কোন প্রবন্ধ লিখলেন। এখন আপনি এর ভুল-ভ্রান্তিগুলো অন্য কাউকে দিয়ে পরীক্ষা করাতে চান, যে আপনাকে ভুলগুলো সম্পর্কে বা কোন বাক্যটার গঠন কিরকম হলে আরো ভালো হতো – সে সম্পর্কে তার মতামত আপনাকে জানাতে পারবে, কিন্তু নিজেই সেগুলো সংশোধন করে ফেলতে পারবে না। এর জন্য আপনাকে Protect Document বাটনে ক্লিক করার ফলে আগত টাস্ক প্যানের Editing restrictions এর চেক বক্সটির মধ্য টিক চিহ্ন দিয়ে ড্রপ ডাউন লিস্ট  বক্স থেকে Comments সিলেক্ট করতে হবে। এরপর Yes, Start Enforcing Protection বাটনে ক্লিক করুন। এবার আগত বক্সে নতুন একটা পাসওয়ার্ড পরপর দুই টেক্সট বক্সে দুইবার টাইপ করুন। ব্যস – এবার আপনি যাদেরকে ফাইলটা দিবেন, তারা শুধুমাত্র Insert > Comment থেকে আপনার ডকুমেন্টের বিভিন্ন জায়াগায় মন্তব্য করা ছাড়া অন্য কোন ধরনের সম্পাদনা করতে পারবে না। সম্পাদনা করতে চাইলে এই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ফাইলটাকে আনপ্রটেক্ট করে নিতে হবে। পরবর্তীতে আপনি ইচ্ছে করলে ফাইলটাকে আনপ্রটেক্ট করে, আপনার শুভাকাঙ্ক্ষীদের করা মন্তব্য অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় সংশোধন করতে পারেন, অথবা মন্তব্যগুলো মুছেও দিতে পারেন। আমি শুধু মন্তব্যের ব্যাপারটাই লিখলাম। আপনি ইচ্ছে করলে Protect Document টাস্ক প্যানের বাকি অপশনগুলোও ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

নিষিদ্ধ ডাউনলোড

কিছু কিছু সাইবার ক্যাফে আছে, যারা চায় তাদের ইউজাররা শুধুমাত্র ওয়েব পেজ ব্রাউজ করুক বা ই-মেইল আদান-প্রদান করুক। কিন্তু তাদের ইউজাররা কোন ফাইল ডাউনলোড করুক – এটা তারা চায় না। ইউজারদেরকে ফাইল ডাউনলোড করা থেকে বিরত রাখার জন্য এরা ওয়েব ব্রাউজারের ডাউনলোড অপশনটি ডিজ্যাবল করে রাখে। এর ফলে কোন ফাইল ডাউনলোড করতে গেলেই একটি বার্তা আসে যে, এই সিস্টেমের সেটিংস ডাউনলোড অনুমোদন করে না।
এখন আপনি যদি দুর্ভাগ্যবশত এমন কোন সাইবার ক্যাফেতে যান এবং সেখানে কোন ফাইল ডাউনলোড করা আপনার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ে, তখন আপনি ইচ্ছে করলে ওয়েব ব্রাউজারের সেটিংসে গিয়ে ডাউনলোড অপশনটি এন্যাবল করে দিতে পারেন এবং এরপর মনের সুখে ডাউনলোড করে যেতে পারেন।
এর জন্য আপনাকে প্রথমে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এর টুলস মেনু থেকে ইন্টারনেট অপশনস এ যেতে হবে। এরপর আগত ডায়ালগ বক্স থেকে সিকিউরিটি ট্যাবে গিয়ে কাস্টম লেভেল বাটনে ক্লিক করতে হবে। সেখান থেকে চিত্র অনুযায়ী ডাউনলোড আইটেমের নিচে ফাইল ডাউনলোড আইটেমের এন্যাবল অপশন বাটনটির উপর ক্লিক করে এরপর ওকে বাটনে ক্লিক করে ফিরে আসতে হবে। ব্যাস – এবার যত খুশি তত ডাউনলোড করা যাবে। কোন অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা আসবে না।
অবশ্য আপনার নিজের ঘরেই যদি ইন্টারনেটের সংযোগ থাকে এবং আপনি যদি আপনার ছোট ভাই-বোনদেরকে ফাইল ডাউনলোড করা থেকে বিরত রাখতে চান, তবে এই একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ডাউনলোড ডিজ্যাবল করে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে শুধুমাত্র পূর্বের এন্যাবল অপশন বাটনের জায়গায় ডিজ্যাবল অপশন বাটনটির উপর ক্লিক করতে হবে।

কাল্পনিক ই-মেইল ঠিকানা তৈরী করা

আমরা সাধারণত বিনামূল্যে মেইল সেবা পেতে ইহাহু, জিমেইল বা হটমেইল ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকি। এসব ইমেইল ঠিকানার শেষে উক্ত ডোমেইন যুক্ত থাকে। যেমন আপনার ই-মেইল ঠিকানা mehdi.akram@gmail.com বা mehdi.akram@yahoo.com হতে পারে। কিন্তু আপনি চাচ্ছেন জিমেইল বা ইহাহু নয় আপনার নিজস্ব ডোমেইনেই আপনার ই-মেইল ঠিকানা ˆতরী করতে। বিনা খরচেই আপনি তা করতে পারেন। এ জন্য আপনার একটি জিমেইল (একাউন্ট) ই-মেইল এবং www.dot.tk তে ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন থাকতে হবে। ধরে নিচ্ছি আপনার উভয় যায়গাতে একাউন্ট আছে। কারণ জিমেইল একাউন্ট এখন খুব সহজেই পাওয়া যায়। আপনি যদি www.dot.tk তে mehdi-akram নামে রেজিষ্ট্রেশন করে থাকেন তাহলে আপনার (শর্টকাট) ওয়েব সাইটের ঠিকানা www.mehdi-akram.tk এবং এক্ষেত্রে আপনার ইমেইল ঠিকানা হতে পারে info@mehdi-akram.tk বা yourname@mehdi-akram.tk। এভাবে আপনি প্রতিটি ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশনের জন্য সর্বাধিক ৫টি ই-মেইল ঠিকানা খুলতে পারেন। এবার প্রথমে www.dot.tk তে লগইন করুন এবং নিচের বামদিকে My Email Dot Tk email Forwarding-এ ক্লিক করলে আপনার ডোমেইন দেখাবে। এবার এখান থেকে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন Your (new) virtual address তে আপনি ৫টি কাল্পনিক ই-মেইল ঠিকানা দিন। আপনার ডোমেইনসহ পছন্দের ই-মেইল ঠিকানা টাইপ করুন এবং উক্ত মেইলগুলো কোন কোন ঠিকানায় ফরওয়ার্ড হবে তা … to be forwarded to email address এর নিচে -> দেখে টাইপ করুন। বামের প্রত্যেকটি কাল্পনিক ই-মেইলের ক্ষেত্রে ডানে আলাদা বা একই (ওই জিমেইল) মেইল ঠিকানা টাইপ করতে পারেন। ফলে কাল্পনিক যেকোন ই-মেইলে আপনাকে মেইল করলে আপনার জিমেইলে তা ফরওয়ার্ড হবে। এখন Continue বাটনে কিক করে একটিভ করুন এবং লগ আউট করুন।এরপর আপনার (যে জিমেইল ঠিকানা ডটটিকেতে দিয়েছেন) জিমেইল একাউন্ট খুলুন। এখানে সেটিংসে ক্লিক করে Accounts -এ ক্লিক করুন। এখান থেকে always replay from my current address অপশন বাটন চেক করে Add another email address লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Add another email address ডায়ালগ বক্স আসবে। এখান থেকে Enter information for another email address -এর Name-এ আপনার পছন্দের নাম (যা মেইল প্রাপক দেখবে) এবং email address -এ ডট টিকের কাল্পনিক ই-মেইল ঠিকানা টাইপ করুন এবং Next Step>> বাটনে ক্লিক করুন। এরপর Send Verification বাটনে ক্লিক করুন। এবার দেখবেন জিমেইলের ইনবক্স জিমেইল থেকে নতzন একটি মেইল এসেছে সেটি খুলে সেখান থেকে ভেরিফিকেশন কোডটি Add another email address ডায়ালগ বক্সে টাইপ করে একটিভ করুন। এবার সেটিংস থেকে নতুন যুক্ত করা মেইল ঠিকানার ডানে make default -এ ক্লিক করে মেইল ঠিকানা ডিফল্ট করুন। এরপর থেকে জিমেইল থেকে মেইল কম্পোজ করার সময় দেখবেন উপরে From নামে নতুন একটি ড্রপডাউট মেনু আসছে এবং সেখানে ডটটিকের নতুন কাল্পনিক মেইল ঠিকানা দেখা যাচ্ছে। এবার যেখানেই মেইল করুন না কেন সেখানে সেন্ডার হিসাবে নতুন এই (কাল্পনিক) মেইলের ঠিকানা দেখাবে এবং উক্ত (কাল্পনিক) মেইলে কোন মেইল আসলে ডটটিকে তা আপনার জিমেইলে সয়ংক্রিয়ভাবে ফরওয়ার্ড হয়ে আসবে। এভাবে আপনি নতুন কাল্পনিক মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে মেইল গ্রহণ ও প্রেরণ করতে পারেন।

বাংলাতে ফাইল ও ফোল্ডারের নাম লেখা

কম্পিউটারের হার্ডডিক্স ড্রাইভের, ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বাংলাতে লেখা যাবে। তবে এজন্য উইন্ডোজ ২০০০ বা এর পরের ভার্সন প্রয়োজন হবে কারণ উইন্ডোজ ২০০০ এবং এর পরবর্তী সংস্করনের উইন্ডোজ ইউনিকোডের উম্মুক্ত ফন্ট সমর্থন করে। তবে বাংলা লেখার জন্য অভ্র (ইউনিকোড কমপ্লান্ট বাংলা ইনপুট সফটওয়্যার) কীবোর্ডের প্রয়োজন। অনলাইন (www.omicronlab.com/avrokeyboard) থেকে বিনামূল্যে এই কীবোর্ড ডাউনলোড করতে পারবেন। এরই সাথে বিভিন্ন ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা ফন্টও ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এরপর অভ্র সফটওয়্যারটি ইনষ্টল করে নিন। আপনার কম্পিউটারে যদি উইন্ডোজ এক্সপি সাভিস প্যাক ২ বা তার পরের ভার্সন থাকে তাহলে Vrinda নামে একটি ইউনিকোড ভিত্তিক উম্মুক্ত বাংলা ফন্ট আছে তা নিশ্চিত থাকুন। যা একই সাথে ইংরেজী এবং বাংলা সমর্থন করে। ফন্টটি না থাকলে অন্য যেকোন ইউনিকোড ভিত্তিক ওপেন টাইপ ফন্ট ইনষ্টল করে নিন। অভ্র সফটওয়্যারটি ইনষ্টল করলে কতগুলো ইউনিকোড ভিত্তিক ওপেন টাইপ ফন্ট ইনষ্টল  হবে। আপনার কম্পিউটারে যদি উইন্ডোজ এক্সপি ইনষ্টল দেওয়া থাকে তাহলেControl Panel থেকে Display Properties খুলুন। এখানে Appearance ট্যাবে কিক করে Advanced বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে Advanced Appearance ডায়ালগ বক্স আসবে এখান থেকে Item লিষ্ট থেকে Icon সিলেক্ট করুন। এবার লিষ্ট থেকে Vrinda বা অন্য যেকোন ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা ওপেন টাইপ ফন্ট সিলেক্ট করুন। (আপনার কম্পিউটারের উইন্ডোজ ২০০০ হলে Control Panel থেকে Display Properties খুলে, Appearance ট্যাবে কিক করে Advanced বাটনে ক্লিক করুন। এবং Advanced Appearance ডায়ালগ বক্স আসলে সেখান থেকে Item লিষ্ট থেকে Icon সিলেক্ট করুন। এবার লিষ্ট থেকে Vrinda বা অন্য যেকোন ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা ওপেন টাইপ ফন্ট সিলেক্ট করুন) এবার আপনার কম্পিউটারে বাংলা ভাষা ব্যবহার করার জন্য কনফিগার করতে হবে। উইন্ডোজ এক্সপির জন্য Control Panel থেকে Regional and Language Options খুলুন এবং Language ট্যাব থেকে Install files for complex script and right-to-left language (including Thai) চেক বক্স চেক করে Ok করুন (আপনার কম্পিউটারের উইন্ডোজ 2000 এর ক্ষেত্র Control Panel থেকে Regional Options খুলুন। এবার General ট্যাব থেকে Language settings for the system অংশটির লিষ্ট থেকে Indic সিলেক্ট করে Ok করুন) এক্ষেত্রে আপনার উইন্ডোজ ইনষ্টলারটির প্রয়োজন হতে পারে। সুতারাং উইন্ডোজের সিডি সাথেই রাখুন। এবার অভ্র কীবোর্ড লেআউট বাংলা করে ফাইল, ফোল্ডার বা ড্রাইভের নাম বাংলাতে লিখতে পারবেন। এই অভ্র কীবোর্ড এবং ইউনিকোড ভিত্তিক বাংলা ওপেন টাইপ ফন্টের সাহায্যে বাংলাতে ওয়েব পেজ তৈরী করতে পারেন অনায়াসে।